ডাবল এ প্রোপার্টিজের এমডির ১বছরের জেল ও ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা

52

শাহিন,নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চেক জালিয়াতি মামলায় ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আহসানের ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে।বর্তমানে আসামি আব্দুল্লাহ আহসান পালাতক আছেন এবং আপিল ও করেন নি।
রাস্ট্রপক্ষ দায় করা চেক জালিয়াতি দায়রা মামলায় (মামলা নং ২৯০৮/১, থানার মামলা নং ১৭০১/১)
আসামি আব্দুল্লাহ আহসানকে (পিতা মো হাবিব উল্লাহ,বাড়ি নং ৫৫ রোড নং ০৫, থানা: ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৯) ঢাকা ৩য় মহানগর দায়রা জজ গত ১লা ফেব্রুয়ারী ১১ লক্ষ টাকা ও ১ বছরের সস্রম কারাদন্ড দেয় এবং আসামিকে ধরিয়ে দিতে সংশ্লিস্ট থানাকে অবহিত করেন ৩য় দায়রা জজ আদালত। ধানমন্ডি সুধা শুধন এর বিপরিতে (রোড নং ৫, হাউজ নম্বর ৫) ডাবল এ প্রোপার্টিজ এর অফিস এবং এই কোম্পানিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আহসান।

ডাবল এ প্রোপার্টিজ একটি রিহাব অনুমোদিত রিয়েল এস্টেট ল কোম্পানি। কোম্পানিটি সর্বসাধারনকে চাকচিক্য ডিজাইনের ফ্লাট দেখিয়ে এডভান্স এবং সম্পুর্ন পেমেন্ট নিয়ে বছরের পর বছর ঘুরিয়ে থাকে। ভুক্তভুগিদের কেহ অবশেষে ফ্লাট পায় আবার অনেকে ফ্লাট না পেয়ে সর্বশান্ত হন। মোবাইলে আব্দুল্লাহ আহসানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য একাধিক বার চেষ্টা করেও তার নম্বরটি ০১৭১৩০১৩৪৫৬ বন্ধ পাওয়া যায়।

তার প্রতিষ্টান ডাবল এ প্রোপার্টিজে গিয়ে বর্তমান এম ডি মামুন এবং আব্দুল্লাহ আহসানের একান্ত সহকারি মিলন এবং অফিস স্টাফ মেহেদিকে আসামি আব্দুল্লাহ আহসান সম্পর্কে জিজ্জেস করলে তারা আসামির অবস্থান জানেন না এবং বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চান।আসামির বাসায় খোজ নিয়ে জানা যায় তিনি বাসা পরিবর্তন করে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন।

ধানমন্ডি থানার আই ও সুভনকর রয় কে এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্জেস করলে তিনি জানান- আসামি আব্দুল্লাহ আহসান অফিসে আসেন না,বাসাও পরিবর্তন করে অবস্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে আছে,এবং তার অবস্থান ট্রেক করা যাচ্ছে না।তবে তিনি বলেছেন তারা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই মামলার বাদিপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি অনেকটা হতাশ কন্ঠে বলেন-মামলাটির রায় হওয়ার ৯০দিন অতিবাহিত হওয়া সত্যেও রায় কার্যকরের কোন পদক্ষেপ দৃশ্যমান হচ্ছে না।অতি দ্রুত রায় কার্যকর করে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষকে আরো সক্রিয় হতে বলেছেন।

শেষ খবর পাওয়া পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনো রায়ের বিপক্ষে আপিলও করেন নি,আদালতে সমর্পন অথবা টাকা জমা দেয়ার কোন অগ্রগতিও নেই।পালিয়ে অফিসে আসছেন এবং পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।