হেরে মুস্তাফিজকে না নেওয়ার খেসারত দিল মুম্বাই

61

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে প্লে অফ খেলার সম্ভবনা টিকিয়ে রাখলো রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। মঙ্গলবার রাতে প্রথম ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান করে বেঙ্গালুরু। জবাব দিতে নেমে ১৫৩ রানে থামে মুম্বাইয়ের ইনিংস।

বেঙ্গালুরু প্রথম ৭ ব্যাটসম্যানের ৬ জনই রান পেয়েছেন। মুস্তাফিজবিহীন মুম্বাইয়ের বোলিং দুর্বলতা এদিনও বড় হয়ে দেখা দেয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ওপেনার মানান ভোরার ৩১ বলে ৪৫, ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ২৫ বলে ৩৭, বিরাট কোহলির ২৬ বলে ৩২ এবং কলিন ডি গ্রান্ডহোমের ১০ বলে ২৩ রানের মাঝারি মানের ইনিংসের ওপর ভর করে ১৬৭ রান সংগ্রহ করে বেঙ্গালুরু। মুম্বাইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। তবে রান দিয়েছেন ওভার প্রতি প্রায় ১০ রান করে। আর মুস্তাফিজের জায়গায় একাদশে থাকা জেপি ডুমিনি দেন ২ ওভারে ২৮ রান, আর বেন কাটিংকে বোলিংয়ে আনার সাহসই পাননি রোহিত শর্মা। অথচ মুস্তাফিজ থাকলে অন্যরকম হতে পারতো। এ রকম লো স্কোরিং ম্যাচে মুস্তাফিজের ডট বলই গড়ে দিতে পারতো ম্যাচের ভাগ্য। অন্তত ডুমিনি যে ২৮টি রান দিয়েছেন মাত্র দুই ওভারে। সেখানে মুস্তাফিজের ৪ ওভারে তেমনটা থাকতে পারতো। এমনকি অফ ফর্মে থাকা পোলার্ডকে বাদ দিয়েও কাটার মাস্টারকে দলে ভেড়াতে পারতো। কিন্তু নির্বাচন কমিটির একাদশ নির্বাচনে ব্যর্থতায় আবার হারলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

১৬৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় মুম্বাই। নিয়মিত রান করা ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদব আউট হয়ে যান মাত্র ৯ রান করে। ইশান কিশান আউট হয়ে যান কোনো রান না করেই। অধিনায়ক রোহিত শর্মা পরের বলেই আউট। এই যখন অবস্থা তখন একাদশে ফেরানো অফ ফর্মে থাকা কাইরন পোলার্ড ফিরলেন ১৩ রানে। জেপি ডুমিনিও আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ, ফিরে যান ২৯ বলে ২৩ রান করে। এরপর দুই ভাই হার্দিক ও ক্রুনাল পাণ্ডিয়া দলের হাল ধরেন। অবিচ্ছিন্ন জুটিতে তুলে ফেলেন ৫৬ রান। ১০ বলে তখন দরকার ছিল ২৮ রান। কিন্তু পারেননি তারা। পরের বলেই ফিরে যান ১৯ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ২৩ রান করা ক্রুনাল। ১৯তম ওভারের পরের তিন বলে ৩ রানের বেশি নিতে পারেননি হার্দিক ও নতুন ব্যাটসম্যান বেন কাটিং। ফলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৫ রান। কিন্তু প্রথম বলেই নেই ৪২ বলে ৫০ রান করা হার্দিক। শেষ ৫ বলে কাটিং ১১ রান তুললেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। এই জয়ের ফলে প্লে অফের আশা ক্ষীণ হয়ে গেল মুম্বাইয়ের। আর সম্ভাবনা বেঁচে থাকলো বিরাট কোহলিদের।