সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা স্থানীয়দের: সুজন

29

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন এলাকায় কাজ করতে গিয়ে দেখতে পেয়েছি নির্বাচন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের(সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির(ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই আশঙ্কার কথা জানান তিনি।বদিউল আলম মজুমদার বলেন, হলফ করে মিথ্যা বা ভুল তথ্য দেয়া ফৌজদারি অপরাধ। তাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য যাচাই-বাছাই করা দরকার। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের বেশির ভাগই স্বল্পশিক্ষিত, ক্ষুদ্রব্যবসায়ী এবং আয়কর দেন না। আরও সমাজসেবী, পেশাজীবী ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী প্রার্থী পেলে প্রার্থীদের মানের উন্নতি ঘটতো এবং তুলনামূলক ভালো কাউন্সিলর পাওয়া যেত।গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, এই দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শুধু প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা নয়, নির্বাচন কমিশনের জনপ্রিয়তা-কর্মদক্ষতারও প্রকাশ ঘটবে। জাতীয় নির্বাচনের আগের হওয়ায় নির্বাচন দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার জানান, গাজীপুরে ৩৪৫ প্রার্থীর মধ্যে ২১৯ জন ব্যবসায়ী। ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে। খুলনায় ১৯২ প্রার্থীর মধ্যে ১২৬ জন ব্যবসায়ী। আর ৩৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে।