পিছিয়ে যাচ্ছে বিপিএল ? বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অবলম্বনে……

48

বছর শেষে আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা খুব একটা থাকে না টাইগারদের। ওই সময়েই বসে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আসর। তবে এবছর বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসর আয়োজন নিয়ে শঙ্কা দেখা গিয়েছে। বিপিএলের গভর্নিং বডির সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক জানিয়েছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন যেহেতু বিপিএলের নির্ধারিত সময়ে কাছ দিয়ে হতে পারে, তাই বিপিএল পেছানোর কথা তারা ভাবছেন।

ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছেন, ‘আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি আমরা চূড়ান্ত করতে পারব। আমাদের সময় নির্ধারণ করা ছিল অক্টোবরে, কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগে ৭টি ফ্র্যাঞ্চাইজ ও ৩টি ভেন্যুতে খেলার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা আমরা পাব কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।’

চলতি মৌসুম পুরোটা বাতিল হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের এই কর্মকর্তা বলেন, ৬ষ্ঠ পর্ব মাঠে গড়ানো নিয়ে আপাতত সন্দেহ নেই। আমাদের সময়টা পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। অক্টোবরে না করে নির্বাচনের পরে জানুয়ারিতে শুরু করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

তবে জানুয়ারি মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের পূ্র্ব নির্ধারিত সিরিজ রয়েছে। এই ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে ওই সিরিজ এগিয়ে আনার কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

২০০৯ সালে ভারতে রাজনৈতিক কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত হয়েছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সে ধরণের কোনো পরিকল্পনা নেই। এ বিষয়ে ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, বিসিবির অর্থনৈতিক শক্তি আইপিএলের মতো না। যে খরচ বাড়বে সেটা অনেক বেশি। এমনকি ফ্র্যাঞ্চাইজগুলোর খরচও অনেক বেড়ে যাবে।

এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ইতিবাচক দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আছে বিপিএল কর্তৃপক্ষ। গভর্নিং বডির পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৮ সালের বিপিএল যদি ২০১৯ সালে পিছিয়ে দিতে হয়, তাহলে ২০১৯ সালের শুরুতে একটি বিপিএল হবে এবং শেষভাগে ২০১৯ সালের নির্ধারিত বিপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গভর্নিং বডি।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সাথে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক না হলেও ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, তিনি নিজ উদ্যোগে যেসব ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে কথা বলেছেন তারা বিপিএল পেছানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বিপিএল উপলক্ষে অনেক দেশের ক্রিকেটার আসেন। তাদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বিপিএল আয়োজন করতে তারা রাজী নয়।.