ইফতারে কেন খাবেন মুড়ি

184

ঢাকা ডেস্ক :

ইফতারে ছোলা-মুড়ির চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। শুধু কি ছোলা, মুড়ির সঙ্গে পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, শসা, টমেটো, জিলাপি মিশিয়ে তৈরি করা হয় আরো সুস্বাদু খাবার। এটি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, মুড়ির উপকারিতা এর বড় একটি কারণ। এরপর থেকে কেউ আপনাকে রেগে গিয়ে ‘মুড়ি খা’ বললেও রাগ করবেন না যেন। কারণ সে আদতে আপনাকে একটি ভালো পরামর্শই দিয়েছে! কারণ মুড়ির রয়েছে প্রচুর উপকারিতা।

১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে ৫৬ ক্যালরি। কার্বোহাইড্রেটস ১২.৬ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ০.১ গ্রাম, ফাইবার ০.২ গ্রাম, পটাসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪.৪৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৪ মিলিগ্রাম, থিয়ামাইন ০.৩৬ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন ৪.৯৪ মিলিগ্রাম।

কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি। যাদের বার বার খিদে পায়, অথচ সারাদিনে বেশিরভাগ সময়ে অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্যে শরীরে ক্যালরির চাহিদা কম, তাদের জন্যে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার। মুড়ি এসিডিটির যম। মুড়ি এসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। মুড়িতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম। তাই এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। পেট ভরে থাকে দীর্ঘক্ষণ।

মুড়িতে রয়েছে নিউরোট্রান্সমিটার পুষ্টিগুণ। ফলে মুড়ি খেলে মস্তিষ্কের স্নায়ু উদ্দীপনাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এটি মস্তিষ্কের উন্নতি এবং কগনেটিভ ফাংশনের উন্নিতে সাহায্য করে।

পেটের সমস্যায় শুকনো মুড়ি কিংবা ভেজা মুড়ি খেলে তাৎক্ষণিক উপকার পাওয়া যায়। মুড়িতে ভিটামিন বি ও প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

মুড়ি ভিটামিন ডি, রাইবোফ্লাভিন এবং থিয়ামিনের উৎস। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফাইবার। তাই মুড়ি খেলে হাড় ও দাঁত শক্ত হয়।

মুড়িতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে শর্করা। এটি আমাদের শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন কাজে সক্রিয় থাকতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে মুড়ি।