গাবতলী পশুর হাটে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেলভুক্ত মেয়রের আকষ্মিক পরিদর্শন

65

২১ মে: আজ বেলা ১১ টায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ঢাউসিক) প্যানেলভুক্ত মেয়র মোঃ জামাল মোস্তফা প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলামসহ গাবতলী পশুর হাট আকষ্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। মাংসের মূল্য স্থিতিশীল রাখার উদ্দেশে পশু হাটের ইজারাদার যেন অতিরিক্ত হাসিল আদায় করতে না পারেন তা মনিটরিং করার জন্য আকষ্মিকভাবে এই পরিদর্শন করা হয়।

বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় সর্বমোট ৩১৫ জন তালিকাভূক্ত মাংস ব্যবসায়ী রয়েছেন। গাবতলী পশু হাটের ইজারাদার লুৎফর রহমানের পক্ষে তার পূত্র রাকিব ও গরু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে ইজারাদার ও গরু ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মাংস ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বস্থ করা হয়। উল্লেখ্য বর্তমানে যে কোন আকৃতির প্রতিটি মহিষ, গরু ও ভেড়া বা ছাগল এর হাসিল যথাক্রমে ১৫০, ১০০ ও ৫০ টাকা। মাংস ব্যবসায়ী ব্যতীত অন্যদের ক্ষেত্রে হাসিলের পরিমান পশুর বিক্রয়মূল্যের শতকরা সাড়ে ৩ ভাগ।

প্রসঙ্গত ১৪ মে ২০১৮ তারিখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে মেয়রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি কেজি গরুর মাংস (দেশী) ৪৫০ ও গরুর মাংস (বিদেশী) ৪২০ টাকা; মহিষের মাংস ৪২০ টাকা; খাসীর মাংস ৭২০টাকা ও ভেড়া/বকরী ৬০০টাকা নির্ধারণ করা হয় যা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পরিদর্শনের পরে প্যানেল মেয়র সদস্য মোঃ জামাল মোস্তফা জানান বৃহত্তর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় তিনি নিজে মাংসের দাম স্থিতিশীল রাখার জন্য সরাসরি তদারকি করবেন। তাছাড়া ঢাউসিক এর সর্বত্র ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার মাধ্যমে ভোক্তারা যাতে নির্ধারিত মূল্যে মাংস কিনতে পারেন তা নিশ্চিত করা হবে।

-প্রেস রিলিজ