বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা-ভর্তি বানিজ্যে আয় কোটি কোটি টাকা

56

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপারিশ ক্রমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রফেসর খাইরুল আলমকে ভিসি হিসেবে বশেমুরবিপ্রবিতে নিয়োগ প্রদান করেন। ভিসি খাইরুল আলম ২০১১-১৪ অবধি শিক্ষার্থীদের ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায় ভর্তি ও খুবই স্বল্প খরচে প্রতি সেমিষ্টার পার করতেন কিন্তু ভিসি খাইরুল আলম চলে যাবার পরেই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু হয় কলিযুগ।

বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. খন্দকার নাসির উদ্দীন দায়িত্ব পাবার পরেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ১৭ থেকে ১৮ হাজারে উন্নীত হয় এবং সেমিষ্টার ফি ৮ থেকে ৯ হাজারে উন্নীত হয়। এত ভর্তি ফি ও সেমিষ্টার খরচ দেশের ৪০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কোথাও হতে পারে না এমনটাই দাবী শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলের।

আইন বিভাগের ছাত্রনেতা সুলাইমান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে ভর্তি ফি কমানোর দাবি জানিয়ে বার বার মানববন্ধন করে। কিন্তু এতেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। ৬ দফা দাবী নিয়ে ছাত্র সমাজ আন্দোলন করেন এবং বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি হলেও এতটুকু কাজ হয়নি কখনও। বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. খন্দকার নাসির উদ্দীন কোন কিছুই কর্ণপাত করেন না। প্রতি বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির একটা বানিজ্য করা হয়। বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. খন্দকার নাসির উদ্দীনের রয়েছে নিজস্ব বাহিনী সেই বাহিনী দিয়েই ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিবাবকদের সাথে মোটা অংকের টাকা চুক্তির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। এ ছাড়াও রয়েছে নিয়োগ বানিজ্য বর্তমান ভিসির বাড়ি গোপালগঞ্জে হওয়াতে তিনি বেপরোয়া ভাবে সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। কারো কথার কোন তোয়াক্কা না করে তিনি নিজের মন গড়া আইন দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। যা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের পরিপন্থী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা জানান অচিরেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. খন্দকার নাসির উদ্দীনকে অপসারন না করা হলে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে সেই সাথে ধ্বংশ হয়ে যাবে জাতির পিতার নামে তৈরী করা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি। সেই সাথে অতি দ্রুত জাতির পিতার নামাঙ্কিত এই ভার্সিটিতে ছাত্রলীগ ও শিক্ষক সমিতির একটি পুর্নাঙ্গ কমিটি দেয়ার আহবান জানান তারা।