পতাকা বৈঠক শেষ হতে না হতেই তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার বিজিপির গুলি, আহত ১

63

কক্সবাজার ও নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তের কোনাপাড়ায় আশ্রিত রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি। এতে আনসারুল্লাহ (১২) নামের এক রোহিঙ্গা শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার পিতা কোনার পাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের জমির হোসেন বলে জানিয়েছেন ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তুমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ জানান, গুলিবর্ষণের ঘটনায় জিরোপয়েন্টে আশ্রয় নেয়া ৫ হাজার রোহিঙ্গার মাঝে আতংক বিরাজ করছে। অনেক রোহিঙ্গা আতংকে বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে।কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল নোমান হোসেন জানান, মিয়ানমার সীমান্তের অভ্যন্তরে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে এ হামলার শিকার হয়েছে ওই রোহিঙ্গা শিশুটি। তবে বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি জানান, ঘটনাটি কোনার পাড়া সীমান্তের মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে। বিষয়টি তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

উল্যেক্ষ,২৮ জুন বুহস্পতিবার দুপর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কক্সবাজারস্থ বিজিবির আঞ্চলিক সদর দপ্তরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) এর আঞ্চলিক কমান্ডার পর্যায়ে সৌজন্যমূলক পতাকা বৈঠকে কক্সবাজারের উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু কোনারপাড়ায় শুন্য রেখায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়।