কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান সফিক

215

জামাল উদ্দিন স্বপন, লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: লাকসাম- মনোহরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে পরিচিত মুখ সফিকুর রহমান। কুমিল্লা-০৯ লাকসাম মনোহরগঞ্জে বিএনপির বিকল্প প্রার্থী সাবেক এ ছাত্রনেতা সফিকুর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে যিনি বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা অতপর ঢাবি জিয়াউর রহমান হলে থাকার সুবাধে বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্র দলের নেতৃত্বে নিজকে জড়িত করেন। তখন থেকে লাকসাম-মনোহরগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে তার পথ চলা। লাকসাম-মনোহরগঞ্জে বিএনপিকে শক্তিশালী ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি ব্যাপক অর্থ, শ্রম ও সময় ব্যয় করেন। লাকসাম-মনোহরগঞ্জে প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামে বিএনপির সকল নেতা কর্মী সমর্থকদের মন জয় করে নেন। ঢাবির এ মেধাবী ছাত্র সফিকুর রহমানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও কেন্দ্রীয় বিএনপির হাইকমান্ডে ছিল তার অবস্থান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সংসদ ছাত্রদলের কমিটিতে পরপর দু’বার নির্বাচিত রিজভী আহমদ-ইলিয়াছ আলীর নেতৃত্বাধীন কমিটির দপ্তর সম্পাদক ও ফজলুল হক মিলন-নাজিম উদ্দিন আলম নেতৃত্বাধীন কমিটির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব সুনামের সহিত পালন করেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি শহিদ জিয়া ও বাংলাদেশ, খালেদা জিয়া ও রাজপথ, বিএনপির প্রতিষ্ঠা ও ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে বই প্রকাশ করেন এবং জাতীয় প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপির পক্ষে অসংখ্য সভা ও সেমিনার করেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ তরুন লেখক সমিতির সভাপতি। আমরা জিয়ার সৈনিক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা দৈনিক আজকের জীবন ও সাপ্তাহিক স্পষ্ট কথা সম্পাদক ও প্রকাশক এবং ঢাকার ফকিরাপুলে ফেডারেল এন্টারপ্রাইজ ও ফেডারেল প্রিন্টার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দৃষ্টি এ্যাডভার্টাইজিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে লাকসাম- মনোহরগঞ্জ বিএনপির প্রার্থী এ.টি.এম আলমগীর ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কর্ণেল (অব:) আনোয়ারুল আজিমকে বিজয়ী করার জন্য দিন রাত কাজ করে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করান। বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার জন্য লাকসাম- মনোহরগঞ্জে ব্যাপক অবদান ও শ্রম ত্যাগ দিলেও বিএনপি ১৯৯১ ও ২০০১ সালে পরপর দু’বার ক্ষমতায় থাকা কালে কেন্দ্রীয় স্থানীয় অনেকের ভাগ্য বদল হলেও ঢাবির মেধাবী ছাত্র ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক এ নেতার কোন ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। তিনি পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিএনপির জন্য অনেক কিছু করেও ১৯৯৬ সালে জাতীয় নির্বাচন প্রাককালে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভুল সিদ্ধান্তে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। পরবর্তীতে তার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়। ১৯৮৬ সাল হতে অধ্যবধী পর্যন্ত বিএনপির রাজনীতি লাকসাম- মনোহরগঞ্জে তিনি জড়িত। বিএনপির বর্তমান দুঃসময়। ঢাকা থেকে প্রায় লাকসাম- মনোহরগঞ্জে দলের নেতা-কর্মীদের খোজ খবর নিচ্ছেন। দলের আদর্শ থেকে তিনি বিচ্যুত হননি। বিএনপি নেতা সফিকুর রহমান সফিক বলেন, বিএনপি জনগনের দল। বিএনপির প্রতি রয়েছে এদেশের জনগনের আস্থা ও ভালোবাসা। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তাহার সুযোগ্য ছেলে আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান। দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। সভা সমাবেশে বাধা গণতান্ত্রিক আচরণ হতে পারেনা। গত ১৮ই জুন মনোহরগঞ্জ মৈশাতুয়া ইউনিয়নে চাটিতলা গ্রামে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানে সরকারি দলের নেতা কর্মী কর্তৃক বাধা দেওয়ায় প্রতিবাদ জানান তিনি। ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানে বাধা কোনভাবে আমরা প্রত্যাশা করিনি। তিনি বলেন সরকারের সাজানো মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার যতই মামলা হামলা নির্যাতন চালাবে ততই সরকার জনগন থেকে বিচ্যুত হবে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদী। এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক সফিকুর রহমান সফিক। সফিকুর রহমানের বাড়ি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার মৈশাতুয়া ইউপির সংশপুর গ্রামে। তিনি বিএনপি নেতা কর্মীদের ধৈর্য এবং বিএনপির চেয়ারপাসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারণ্যের অহংকার শহীদ জিয়ার উত্তরাধিকারী বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।