পুতিনের দেশে ফরাসি বিপ্লব

63

আবারও ফরাসি বিপ্লব দেখলো বিশ্ববাসী। এবার পুতিনের দেশ রাশিয়ায়। এর আগে, ফুটবলে আরও একবার ফরাসি বিপ্লবের দেখা মিলেছিল, তবে সেটা ফ্রান্সেই। সময়টা ১৯৯৮ সাল। ঘরের মাঠে সে সময় ব্রাজিলিয়ানদের কাঁদিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তোলে ফরাসিরা। মাঝে ২০০৬ সালে ফাইনাল খেললো আরও ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি। দীর্ঘ দুই দশক পর আবারও বিশ্বকাপে ফরাসি বিপ্লব। রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোটদের কাঁদিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুললো জিনেদিন জিদানের উত্তরসূরিরা।

যদিও এদিন, শুরুটা ভালো হয়নি ফরাসিদের। বরং শুরু থেকেই উজ্জ্বল ছিল ক্রোয়েশিয়া। প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যে গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগও পেয়েছিল তারা। তবে, ফিনিশিং দিতে পারেনি কেউ। উল্টো ১৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার মারিও মানজুকিকের আত্মাঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে গ্রিজম্যানকে ফাউল করলে ফ্রি-কিক পায় ফ্রান্স। সেখান থেকে গ্রিজম্যানের নেওয়া কিক ক্রোট ফুটবলার মানজুকিকের মাথায় লেগে ঢুকে পড়ে ক্রোয়েশিয়ার জালে।

সমতায় ফিরতে অবশ্য বেশি সময় নেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ফ্রান্সের এগিয়ে যাওয়ার ৯ মিনিট পরই সমতায় ফেরে লুকা মদরিচরা। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার ফাউল করলে ফ্রি-কিক পায় ক্রোয়েশিয়া। সেই বল সরাসরি গোলে না নিয়ে ডান দিকে বাড়ান। সেখান থেকে জটলার মধ্যে বল পেয়ে বল জালে পাঠান ইভান পেরিচিক। কিন্তু এর ১০ মিনিট পর আবারও এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান ২-১ করেন গ্রিজম্যান।

বিরতির পর আবারও জোড়া গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে পল পগবা স্কোরলাইন ৩-১ করার ৫ মিনিট পর ব্যবধান ৪-১ করেন এমবাপ্পে। অবশ্য এর তিন মিনিট পর ফরাসি গোলরক্ষকের ভুলে ব্যবধান ৩-২ করেন ক্রোয়েশিয়ার মারিও মানজুকিক। এরপর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে খেললেও আর গোলের দেখা পায়নি ক্রোয়েশিয়া। ফলে প্রথমবারের মতো শিরোপার খুব কাছাকাছি এসেও খালি হাতে বিদায় নিতো হলে ক্রোটদের।