নিজেদের লাইসেন্স দেখাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা

39

রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আজও রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করছে শিক্ষার্থীরা। এতে সারা দেশে যানবাহন চলাচলে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করণ। শিক্ষার্থীরা গাড়ি আটকে লাইসেন্স পরীক্ষা করছেন, লাইসেন্স থাকলে গাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন। চালকদের পুরস্কৃত করছেন, না পেলে গাড়ির চাবি রেখে দিচ্ছেন।

পুলিশ সদস্যদের লাইসেন্সও চেক করছেন তারা। সাধারণত ট্রাফিক পুলিশরাই অন্য চালকদের লাইসেন্স চেক করেন। এবার তাদের লাইসেন্স চেক করছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অনেকে শিক্ষার্থীদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখাচ্ছেন। কেউ কেউ স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে নিজের লাইসেন্স দেখাচ্ছেন। এর আগে হেলমেট না থাকায় এক পুলিশ সদস্যকে নিজের নামে মামলা করতে বাধ্য করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

গত রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের হোটেল র‌্যাডিসনের সামনে জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান কলেজের দুই শিক্ষার্থী। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। হতাহতের শিকার প্রত্যেকেই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী। এরা ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

পুলিশের পোশাক পরিহিত দেহরক্ষী নিয়ে ডিআইজি হাবিব কোনো রকমের বৈধ কাগজপত্র ছাড়া চলছেন দেখে বিস্মিত হন উপস্থিত সবাই।

ঘটনাস্থলেই নৌ পুলিশের সেই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গাড়িটির রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র এমনকি চালকেরও কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই বলে স্বীকার করলেন।

বলেন, ‘এটি সরকারি গাড়ি এবং গাড়িটির কাগজপত্রের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’ তাহলে লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়ে যাতায়াত করছেন কিভাবে শিক্ষার্থীদের এমন প্রশ্নে তিনি চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।